29 C
Bangladesh
বুধবার, মে ২৯, ২০২৪

খুবিতে নির্মিত হচ্ছে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে প্রথম বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্লান্ট

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়খুবিতে নির্মিত হচ্ছে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে প্রথম বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্লান্ট

ক্যাম্পাস জুড়ে তৈরি হবে আবর্জনা সংগ্রহ নেটওয়ার্ক। এই আবর্জনা দিয়েই তৈরি হবে কম্পোস্ট সার। বাণিজ্যিক ভাবে বিক্রয়ও করা হবে এই সার। এক বছরের মধ্যে ক্যাম্পাস হবে পরিবেশবান্ধব। ক্যাম্পাসে পাওয়া যাবে না কোনো টুকরো আবর্জনা। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে (খুবি) তৈরি হচ্ছে এমনই একটি পরিকল্পিত সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্লান্ট। ইউজিসির অর্থায়নে প্রায় ২৫ লাখ টাকা ব্যয় সাপেক্ষে এই প্লান্টটির কাজ শুরু হচ্ছে। যার নির্মাণ কাজের সময় ধরা হয়েছে ৬ মাস।

সোমবার (৬ জুন) দুপুরে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) এর সদস্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর ফিতা কেটে ও ফলকে কর্ণিক দিয়ে সিমেন্ট-বালি মিশ্রণ লাগিয়ে এই প্লান্ট নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন। নির্মাণকাজ শেষে আগামী ডিসেম্বরে এটি চালু করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বাংলাদেশে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সর্বপ্রথম খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়েই এই প্লান্ট তৈরি হচ্ছে।

আরো পড়ুন:  নোবেল বিজয়ীদের মিলনমেলায় কুবি শিক্ষার্থী

জানা যায়, প্লান্টটিতে তিনটি স্তরে ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট করা হবে। যেসব বর্জ্য দাহ্য, সেগুলো পুড়িয়ে ফেলা হবে। যেগুলো সার হিসেবে ব্যবহার উপযোগী, সেগুলো ডিকম্পোজ করে ব্যবহার করা হবে। আর যেসব বর্জ্য সার কিংবা দাহ্য নয়, সেগুলো বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ বা সিটি কর্পোরেশনের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
অজৈব আবর্জনা পুড়িয়ে ফেলতে প্লান্টটিতে থাকবে ৪০ ফুট উচ্চতায় চিমনি। এতে বর্জ্য পোড়ানোর ধোঁয়া কিংবা গন্ধে নষ্ট হবে না পরিবেশ। সমস্ত প্রক্রিয়া হচ্ছে পরিবেশ উপযোগী করে।

আরো পড়ুন:  জবির গ্রন্থাগারিক এনামুলের নানান অনিয়ম, শিক্ষার্থীদের অভিযোগে হবে অপসারণ

প্লান্টটির কাজ উদ্বোধনের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে ইউজিসির সদস্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর বলেন, ক্যাম্পাসকে সুন্দর, পরিস্কার ও পরিচ্ছন্ন রাখতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিজ নিজ দায়িত্ব মনে করে এগিয়ে আসতে হবে। তাহলে এক বছরের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বিদ্যমান পরিবেশকে বদলে দেবে এই প্লান্ট। গ্রিন ক্যাম্পাসে পরিণত হবে এই ক্যাম্পাস।

উদ্বোধনের পূর্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন বলেন, শিক্ষকতা পেশায় প্রবেশের শুরু থেকেই আমি এ বিষয়টি নিয়ে ভেবেছি। ইতোপূর্বে এ প্লান্টের বিষয়ে চিন্তা-ভাবনা করা হলেও তা আর এগোয়নি। উপাচার্যের দায়িত্ব গ্রহণের পর সাজানো-গোছানো পরিবেশ বান্ধব ক্যাম্পাস বিনির্মাণে সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্লান্ট বাস্তবায়নে ইউজিসিকে পত্র দিলে তারাও প্লান্টটিতে অর্থায়নে আগ্রহ প্রকাশ করে। যার ধারাবাহিকতায় আজ এর কাজ শুরু হলো।

আরো পড়ুন:  নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে উইমেন পিস ক্যাফের সেমিনার 

তিনি বলেন, সকলের সহযোগিতা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে সুন্দর, পরিপাটি করে সাজাতে চাই। কেননা সুন্দর ক্যাম্পাস দেখলে মন ভালো থাকে। আর মন ভালো থাকলে শরীরও ভালো থাকে। এজন্য এই প্লান্টটি বাস্তবায়নে শিক্ষক-কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ শিক্ষার্থীদেরও এগিয়ে আসতে হবে।

Check out our other content

Check out other tags:

Most Popular Articles