32 C
Bangladesh
রবিবার, জুলাই ২১, ২০২৪

বশেমুরবিপ্রবিতে বাংলা বিভাগের আয়োজনে পিঠা উৎসব কাল

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়বশেমুরবিপ্রবিতে বাংলা বিভাগের আয়োজনে পিঠা উৎসব কাল

গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে( বশেমুরবিপ্রবি)বাংলা বিভাগের উদ্যোগে আগামীকাল পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।

বুধবার (১১ জানুয়ারি) সকাল ১০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মন্দির সংলগ্ন মাঠে এ উৎসবের আয়োজন উপলক্ষে স্টলসহ সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

“ঐতিহ্যের উচ্ছাসে জমবে মেলা, পিঠা উৎসব সারাবেলা” এই স্লোগানকে ধারণ করে প্রতিবছরের ন্যায় এবছরও শীতকালীন পিঠাপুলির আয়োজন করা হয়। আয়োজনে থাকছে ২০ প্রকারের ও বেশি রকমের দেশি বিদেশি পিঠা। তারমধ্যে রয়েছে পুলি,দুধপুলি,নাড়ু,বিক্সিট পিঠা,পায়েস,কলার পিঠা,মালপোয়া,পাটি সাপটা,মাংসের পিঠা,সবজি পিঠা,চিতই পিঠা,নকশি পিঠা,কেক,ডিমের পুডিং, তক্তি পিঠা,ডালের বরফি সহ নানান রকমের রসনা তৃপ্তিকারী পিঠা।

আরো পড়ুন:  বশেমুরবিপ্রবিতে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার সকল প্রস্ততি সম্পন্ন

পিঠা উৎসবের আয়োজন নিয়ে বাংলা বিভাগ দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী অর্চি রায় বলেন,” বাংলা ও বাঙ্গালীর ঐতিহ্যেকে ফুটিয়ে তোলার লক্ষে আমরা বাংলা বিভাগ বিভিন্ন অনুষ্ঠান করে থাকি। তার ভিতর পিঠাপুলির উৎসব আমরা অনেক উপভোগ করি। এতে আমাদের যেমন পারষ্পরিক মিল বন্ধন হয় তেমন দেশি-বিদেশি নানান পিঠা সবার মাঝে তুলে ধরা ও স্বাদ গ্রহণ করাতে পারি।”

আরো পড়ুন:  বশেমুরবিপ্রবিতে সাংবাদিক পরিচয়ে মেয়েদের হলে ফ্রি খাবার দাবি

আয়োজন নিয়ে বাংলা বিভাগের সভাপতি জাকিয়া সুলতানা মুক্তা বলেন,”
প্রতিবছরের ন্যায় এবছরও শীতের উৎসব পিঠাপুলির উৎসব আমরা করছি। এটা এজন্যই যে, বর্তমান নগরায়নের যুগে আমরা আমাদের লোকসংস্কৃতি হারিয়ে ফেলছি। আমাদের বাংলা বিভাগ, বাংলা সাহিত্য, ভাষা-সংস্কৃতি সাহিত্য, এবং বাংলা লোকজীবনকে ধারণ করেই এগিয়ে চলছে।সুতরাং বাংলা বিভাগের দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে যে আমাদের লোকজ উৎসব ও আয়োজনের প্রতি সম্মান রেখে এই উৎসবগুলো পালন করা। এই লক্ষ্যে আমরা প্রায় সারাবছরই বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকি, তারমধ্যে শীতকালীন পিঠাপুলির উৎসব অনতম্য।”

আরো পড়ুন:  বশেমুরবিপ্রবিতে আরশিনগর ছাত্র কল্যাণ সমিতির, ইফতার মাহফিল সম্পন্ন

তিনি আরও বলেন,”শুধু বিশ্ববিদ্যালয় না বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরেও গোপালগঞ্জ শহরেও এই অনেক উৎসব সাড়া ফেলে। বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রচুর দর্শনার্থী আসে এবং সবাই আনন্দ উল্লাসে মেতে ওঠে।”

Check out our other content

Check out other tags:

Most Popular Articles